ল'জ্জাস্থা'ন মুখে নেওয়া কী জায়েজ: ইসলাম যা বলছে
ল'জ্জাস্থা'ন মুখে নেওয়া কী জায়েজ: ইসলাম যা বলছে
প্রশ্নঃ ২৮০০০, আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুঙ্গাহ, স্ত্রীর যৌনাঙ্গে মুখ দেওয়া যাবে কী?
স্বামী-স্ত্রী পরস্পর থেকে সুব ভোগ করার সময় ইসলামী শিষ্টাচার ও নীতি-নৈতিকতার প্রতি লক্ষ রাখতে এবে।
এবার আসা যাক, স্ত্রীর যৌনাঙ্গে মুখ দেওয়া প্রসঙ্গে। এ ক্ষেত্রে নিষিদ্ধতার ব্যাপারে কোরআন হাদিসে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য পাওয়া যায় না বিধায় বিষয়টিকে অকাটা হারাম বলার সুযোগ নেই। তবে এর মাঝে ইসলামী শিষ্টাচার বহির্ভূত কিছু দিক হয়েছে। যেমন,
১. লজ্জাস্থান থেকে নির্গত নাপাক (বীর্য, মযি ইত্যাদি) জিহ্বা, মুখ ইত্যাদিতে লাগবে। আর জরুরত ছাড়া নাপাক স্পর্শ করাকে ফকিহগণ বৈব মনে করেন না।
২. মানুষের শরীরের সবচে সম্মানিত অঙ্গ হলো চেহারা। আর লজ্জাস্থান হলো নাপাকির জায়গা। সুতরাং সম্মানিত জায়গাকে নাপাকির জায়গায় স্পর্শ করানো অবশ্যই নিন্দনীয়।
৩. মুখ দ্বারা আল্লাহর কালাম তিলাওয়াত করা হয়, যিকির করা হয়। এই মুখে নাপাক লাগানো এবং আপাকির স্থান চুমো দেয়া বা Suck করা বড় গর্হিত কাজ।
৪. মুখের অনেক জীবাণু লজ্জাস্থানে রোগ সংক্রামণের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাছাড়া লজ্জাস্থানের জীবাণু মুখে এবং মুখের ভায়া হয়ে ভেতরে রোগ সংক্রামণ করার আশংকা থাকে। দুর্ঘটনাবশত ধারালো দাঁতও বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
এসব কারণে ফকিহগণ এটাকে মাকরুহ বলেছেন। তবে সহবাসের পূর্বে নাপাক না লাগার শর্তে কিছু ফকির লজ্জাস্থানে চুমু দেয়ার (লোন নয়) অবকাশ দিলেও এটাকে পরিহার করাকে উত্তম বলেছেন। যেমন, প্রসিদ্ধ হানাফি ফকিহ বুরহানুদ্দীন মাহমুদ ইবন তাজুদ্দীন রহ. বলেন,
إذا أدخل الرجل ذكره في هم امرأته يكره لأنه موضع قراءة القرآن فلا يليق به إدخال الذكريه
যদি পুরুষ নিজের লজ্জাস্থান স্ত্রীর সুবে প্রবেশ করায় তাহলে তা মাকরুহ হবে। কেননা, মুখ কোরআন তেলাওয়াতের স্থান। সুতরাং এখানে লজ্জাস্থান প্রবেশ করানো অনুচিত। (আন্দুহীতুল বুরহানী ৮/১০৪)
আল মাউসুয়াতুল ফিকহিয়্যা (৯/৩২)- এসেছে,
وصرح الحنابلة بجواز تقبيل الفرج قبل الجماع، وكرابته بعده
হাম্বলি ফকিহগণ স্পষ্টভাবে বলেছেন, সহবাসের পূর্বে হলে স্ত্রীর লজ্জাস্থান চুমো দেয়া জায়েয এবং পরে মাকরুহ।
দারুল উলুম দেওবন্দের ওয়েবসাইটে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে তাঁরা উত্তরে লিখেছেন,
تقبيل أحد الزوجين فرج الآخر میں ان آداب کی رعایت ناممکن ہے پھر زبان جس سے اللہ کا ذکر کیا جاتا ہے اس سے شرمگاہ کو یوب لینا وغیرہ کسی بھی طرح مناسب معلوم نہیں ہونا لنڈ یہ جانوروں کا طریق ہے اس اسے بہر صورت ایک مسلمان کو اس سے پریڈ کرنا جانب باقی اگر کسی نے علی شہرت میں ایسی حرکت کرلی اور شرمگاہ پر نجاست نہیں لگی ہوئی تھی تو ناجائز با حرام نہیں کیا جانے کے
স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের লজ্জাস্থানে চুমো দেয়ার মাঝে এসব (ইসলামী) শিষ্টাচারের প্রতি লক্ষ রাখা অসম্ভব। তাছাড়া যবান যা দ্বারা আল্লাহর জিকির করা হয় তা দ্বারা লজ্জাস্থানে চুমো ইত্যাদি দোয়া কোনোভাবেই সাঙ্গত মনে হয় না। এটা পশুদের স্বভাবও বটে। তাই একজন মুসলমানের উচিত সর্বাবস্থায় এ থেকে বিরত থাকা। তবে কেউ যদি অত্যাধিক উত্তেজনার কারণে এ কাজ করে ফেলে এবং লজ্জাস্থানে নাপাকি না থাকে তাহলে নাজায়েয কিংবা হারায় বলা যাবে না।
🎁 Your Special Offer is Loading...
Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.
⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Comments
Post a Comment