ব্রেকিং
আজ হাই কোর্টে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত এসেছে। কোটা পদ্ধতি অনুসরণ করে আগের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে করা রিটটি হাই কোর্ট খারিজ করে দিয়েছেন।
এর ফলে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার ওপর যে আইনি বাধা বা শঙ্কা ছিল, তা কেটে গেল। নিচে এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হলো:
কেন রিট করা হয়েছিল?
২০২৩ ও ২০২৪ সালের বিভিন্ন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি অনুসরণ করা নিয়ে কিছু প্রার্থী আপত্তি জানিয়ে হাই কোর্টে রিট করেছিলেন। তাদের দাবি ছিল, এই কোটা পদ্ধতি বর্তমান পরিস্থিতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং এটি স্থগিত করা উচিত।
আদালতের সিদ্ধান্ত
আজ বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মুবিনা আসফাত-এর সমন্বয়ে গঠিত হাই কোর্ট বেঞ্চ এই রিট আবেদনটি সরাসরি খারিজ (Dismiss) করে দেন। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে যে, নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান থাকায় এবং এটি সরকারি নীতিমালার অংশ হওয়ায় এতে স্থগিতাদেশ দেওয়ার পর্যাপ্ত আইনি ভিত্তি পাওয়া যায়নি।
এর ফলে কী হবে?
পরীক্ষা ও নিয়োগ সচল: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের যে ধাপগুলো বাকি ছিল (যেমন ভাইভা বা চূড়ান্ত ফলাফল), সেগুলো এখন স্বাভাবিক নিয়মে চলবে।
নিয়োগে বাধা নেই: এই রায়ের ফলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (DPE) নিয়োগ কার্যক্রম চালিয়ে নিতে আর কোনো আইনি জটিলতা রইল না।
প্রার্থীদের জন্য বার্তা: যারা পরীক্ষার ফলের অপেক্ষায় আছেন বা পরবর্তী ধাপের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্য এটি একটি স্বস্তির খবর।
সহজ কথায়: রিটটি খারিজ হওয়ার মানে হলো আদালত রিটকারীদের দাবি গ্রহণ করেননি। তাই আগের নিয়মেই নিয়োগ প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।
আপনি কি নির্দিষ্ট কোনো জেলার বা কোনো বিশেষ ধাপের (যেমন ১ম, ২য় বা ৩য় ধাপ) ফলাফল বা ভাইভা নিয়ে জানতে চাচ্ছেন? জানালে আমি আরও সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারব।
🎁 .
🎁 Your Special Offer is Loading...
Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.
⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Comments
Post a Comment