গর্ভে ১২০ দিনের আগে বা'চ্চা ন'ষ্ট করলে কি গুনাহ হবে: ইসলাম যা বলছে
গর্ভে ১২০ দিনের আগে বা'চ্চা ন'ষ্ট করলে কি গুনাহ হবে: ইসলাম যা বলছে
নিজস্ব প্রতিবেদক: গর্ভধারণের পর ভ্রূণ নষ্ট করা বা গর্ভপাত
করানো (Abortion) ইসলামে একটি গুরুতর বিষয়। এ প্রসঙ্গে শায়খ আহমাদুল্লাহ শরীয়তের বিধান ও হাদিসের আলোকে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
ইসলামে গর্ভপাত কখন জায়েজ?
শায়খ আহমাদুল্লাহর মতে, ইসলামে গর্ভপাত সাধারণত নিষিদ্ধ। তবে কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে এর অনুমতি রয়েছে। তিনি বলেন, মূলত গর্ভধারণের ১২০ দিন (চার মাস) পর ভ্রূণের মধ্যে রূহ বা আত্মা ফুঁকে দেওয়া হয়। হাদিসে এসেছে, রাসূল (সা.) বলেছেন, "তোমাদের প্রত্যেকের সৃষ্টি তার মায়ের পেটে ৪০ দিন শুক্রাণু হিসেবে থাকে, এরপর ৪০ দিন জমাট বাঁধা রক্তপিণ্ড হিসেবে থাকে, এরপর ৪০ দিন মাংসপিণ্ড হিসেবে থাকে। তারপর তার কাছে একজন ফেরেশতা পাঠানো হয়, যে তার মধ্যে রূহ ফুঁকে দেয়।" (সহিহ বুখারী ও সহিহ মুসলিম)
এই হাদিস থেকে বোঝা যায় যে, ১২০ দিনের পর ভ্রূণ একজন পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে গণ্য হয়। তাই, এই সময়ের পর গর্ভপাত করাকে ইসলামে একজন মানুষকে হত্যার শামিল ধরা হয়, যা গুরুতর গুনাহ।
১২০ দিনের আগে গর্ভপাত
১২০ দিনের আগে যদি গর্ভপাত করানো হয়, তাহলে কি গুনাহ হবে না? এ বিষয়ে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, এটিও জায়েজ নয়। তবে যদি গর্ভবতী মায়ের জীবন ঝুঁকির মধ্যে থাকে এবং অভিজ্ঞ ও সৎ চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী গর্ভপাত না করালে মায়ের জীবনহানি হতে পারে, তাহলে ১২০ দিনের আগে গর্ভপাতের অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। ইসলামে মায়ের জীবনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।কিন্তু কোনো বৈধ কারণ ছাড়া শুধু আর্থিক বা সামাজিক সমস্যার কারণে ১২০ দিনের আগে গর্ভপাত করাও মাকরুহ বা অপছন্দনীয়। এটি গুনাহ হলেও ১২০ দিন পরের গর্ভপাতের মতো গুরুতর অপরাধ নয়।
🎁 Your Special Offer is Loading...
Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.
⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Comments
Post a Comment