ল*জ্জা নয় জানতে হবে প্রতিদিন শা’রী’রিক মি’লন করলে যা হতে পারে এ বিষয়ে ইসলাম যা বলছে
ল*জ্জা নয় জানতে হবে প্রতিদিন শা’রী’রিক মি’লন করলে যা হতে পারে এ বিষয়ে ইসলাম যা বলস্বামী-স্ত্রীর শারীরিক মিলন বা সহবাস ইসলামে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও বৈধ বিষয়। তবে "প্রতিদিন" সহবাসের বিষয়ে ইসলাম নির্দিষ্ট কোনো বাধ্যবাধকতা দেয়নি।
ইসলাম যা বলে তার মূল বিষয়গুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
১. 🕌 সহবাসের বৈধতা ও উদ্দেশ্য
* বৈধতা: বিবাহিত জীবনে সহবাস সম্পূর্ণ বৈধ ও উৎসাহিত। এটি শুধু শারীরিক প্রয়োজন নয়, বরং এটি সদকা হিসেবেও বিবেচিত, যার মাধ্যমে সওয়াব লাভ করা যায়। (সহীহ মুসলিম)
* উদ্দেশ্য: এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো বংশবৃদ্ধি, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালোবাসা ও হৃদ্যতা সৃষ্টি, এবং উভয়কে খারাপ কাজ (ব্যভিচার) থেকে বিরত রাখা।
২. 🔄 প্রতিদিনের সহবাসের বিধান
* কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই: ইসলামে রমজান মাসে দিনের বেলায়, হজ্জ/উমরার ইহরাম অবস্থায়, এবং স্ত্রীর মাসিক বা প্রসবোত্তর স্রাবকালীন সময় ব্যতীত সহবাসের জন্য নির্দিষ্ট কোনো নিষিদ্ধ সময় বা দিন নেই। (মুসলিম বাংলা)
* সুযোগ ও চাহিদা: দিন বা রাতের যেকোনো সময় স্বামী-স্ত্রীর যখনই সুযোগ হয় এবং তাদের উভয়ের মানসিক ও শারীরিক চাহিদা থাকে, তখনই সহবাস বৈধ।
* স্বাস্থ্য ও সামর্থ্য: যদিও প্রতিদিন সহবাসে সরাসরি কোনো বাধা নেই, তবে ইসলাম স্বাস্থ্য এবং সামর্থ্যের ব্যাপারে সচেতন থাকার পরামর্শ দেয়। ঘন ঘন সহবাসের মাধ্যমে যেন স্বাস্থ্যহানি না হয় বা স্বামী-স্ত্রী ক্লান্ত না হয়ে পড়েন, সেই দিকে খেয়াল রাখা উচিত। হাদিসে একবারে একাধিকবার সহবাসের পর গোসল করে পুনরায় মিলন করাকে 'অধিক প্রশান্তিদায়ক' বলা হয়েছে। (সহীহ মুসলিম)
* স্ত্রীর অধিকার: ইসলামী আইনবিদদের মতে, স্বামী যেন স্ত্রীর প্রয়োজন বা অধিকারের দিকটি খেয়াল রাখেন। কিছু ফকীহ (ইসলামী আইনজ্ঞ) স্ত্রীর মানসিক ও শারীরিক প্রয়োজন মেটানোর জন্য প্রতি চার মাস অন্তর কমপক্ষে একবার সহবাসের কথা বলেছেন, তবে স্বাভাবিক জীবনে চাহিদা অনুযায়ী মিলন হওয়া কাম্য।
৩. ⚠️ যেসব ক্ষেত্রে সহবাস হারামHome
ল*জ্জা নয় জানতে হবে প্রতিদিন শা’রী’রিক মি’লন করলে যা হতে পারে এ বিষয়ে ইসলাম যা বলছে
স্বামী-স্ত্রীর শারীরিক মিলন বা সহবাস ইসলামে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও বৈধ বিষয়। তবে "প্রতিদিন" সহবাসের বিষয়ে ইসলাম নির্দিষ্ট কোনো বাধ্যবাধকতা দেয়নি।
ইসলাম যা বলে তার মূল বিষয়গুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
১. 🕌 সহবাসের বৈধতা ও উদ্দেশ্য
* বৈধতা: বিবাহিত জীবনে সহবাস সম্পূর্ণ বৈধ ও উৎসাহিত। এটি শুধু শারীরিক প্রয়োজন নয়, বরং এটি সদকা হিসেবেও বিবেচিত, যার মাধ্যমে সওয়াব লাভ করা যায়। (সহীহ মুসলিম)
* উদ্দেশ্য: এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো বংশবৃদ্ধি, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালোবাসা ও হৃদ্যতা সৃষ্টি, এবং উভয়কে খারাপ কাজ (ব্যভিচার) থেকে বিরত রাখা।
২. 🔄 প্রতিদিনের সহবাসের বিধান
* কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই: ইসলামে রমজান মাসে দিনের বেলায়, হজ্জ/উমরার ইহরাম অবস্থায়, এবং স্ত্রীর মাসিক বা প্রসবোত্তর স্রাবকালীন সময় ব্যতীত সহবাসের জন্য নির্দিষ্ট কোনো নিষিদ্ধ সময় বা দিন নেই। (মুসলিম বাংলা)
* সুযোগ ও চাহিদা: দিন বা রাতের যেকোনো সময় স্বামী-স্ত্রীর যখনই সুযোগ হয় এবং তাদের উভয়ের মানসিক ও শারীরিক চাহিদা থাকে, তখনই সহবাস বৈধ।
* স্বাস্থ্য ও সামর্থ্য: যদিও প্রতিদিন সহবাসে সরাসরি কোনো বাধা নেই, তবে ইসলাম স্বাস্থ্য এবং সামর্থ্যের ব্যাপারে সচেতন থাকার পরামর্শ দেয়। ঘন ঘন সহবাসের মাধ্যমে যেন স্বাস্থ্যহানি না হয় বা স্বামী-স্ত্রী ক্লান্ত না হয়ে পড়েন, সেই দিকে খেয়াল রাখা উচিত। হাদিসে একবারে একাধিকবার সহবাসের পর গোসল করে পুনরায় মিলন করাকে 'অধিক প্রশান্তিদায়ক' বলা হয়েছে। (সহীহ মুসলিম)
* স্ত্রীর অধিকার: ইসলামী আইনবিদদের মতে, স্বামী যেন স্ত্রীর প্রয়োজন বা অধিকারের দিকটি খেয়াল রাখেন। কিছু ফকীহ (ইসলামী আইনজ্ঞ) স্ত্রীর মানসিক ও শারীরিক প্রয়োজন মেটানোর জন্য প্রতি চার মাস অন্তর কমপক্ষে একবার সহবাসের কথা বলেছেন, তবে স্বাভাবিক জীবনে চাহিদা অনুযায়ী মিলন হওয়া কাম্য।
৩. ⚠️ যেসব ক্ষেত্রে সহবাস হারাম
* ঋতুস্রাব ও নিফাস: স্ত্রীর মাসিক (হায়েজ) অথবা সন্তান প্রসবের পর (নিফাস) রক্তস্রাব চলাকালীন সহবাস করা সম্পূর্ণ হারাম ও কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। (সূরা বাকারা: ২২২)
* পায়ুপথ (মলদ্বার): স্ত্রীর পায়ুপথে সহবাস করা মহাপাপ এবং কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। (আহমাদ, তিরমিযি)
* রমজানের দিনে: রমজান মাসে দিনের বেলায় রোজা রাখা অবস্থায় সহবাস হারাম।
৪. ✨ সহবাসের ইসলামী আদব
* নিয়ত: সওয়াব অর্জনের নিয়তে, হারাম থেকে বেঁচে থাকার এবং নেক সন্তান লাভের আশায় সহবাস শুরু করা।
* শুরু করার আগে: সহবাসের শুরুতে 'বিসমিল্লাহ' বলা মুস্তাহাব এবং একটি নির্দিষ্ট দোয়া পড়া সুন্নত:
> "বিসমিল্লাহ। আল্লাহুম্মা জান্নিবনাশ শায়তানা, ওয়া জান্নিবিশ শায়তানা মা রযাকতানা।"
> (অর্থ: হে আল্লাহ! তুমি আমাদের থেকে শয়তানকে দূরে রাখো এবং আমাদেরকে তুমি যে সন্তান দান করবে, তার থেকেও শয়তানকে দূরে রাখো।) (সহীহ বুখারী, সহীহ মুসলিম)
>
* আদর-সোহাগ: মিলনের পূর্বে চুম্বন ও আলিঙ্গনসহ পর্যাপ্ত আদর-সোহাগ করা উচিত, যাতে স্ত্রীও পূর্ণ তৃপ্তি লাভ করতে পারেন।
* গোপনীয়তা: সহবাসের বিষয়গুলো গোপন রাখা ও কারো কাছে প্রকাশ না করা আবশ্যক।
* পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা: সহবাসের পর দ্রুত গোসল করে পবিত্র হওয়া ফরজ।
মূল কথা হলো, ইসলামে স্বামী-স্ত্রীর মিলনের জন্য নির্দিষ্ট কোনো শ্রেষ্ঠ দিন বা বারের সীমা নেই। বরং এটি স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক শারীরিক ও মানসিক চাহিদা, সম্মতি এবং স্বাস্থ্যের ওপর নির্ভরশীল।
আপনার যদি এই বিষয়ে আরও কোনো নির্দিষ্ট প্রশ্ন থাকে, তবে জিজ্ঞাসা করতে পারেন।

Comments
Post a Comment